১৫ দিনে ১০ কেজি ওজন কমানোর ২২টি উপায়
১৫ দিনে ১০ কেজি ওজন কমানোর উপায় সম্পর্কে আপনারা বিস্তারিত জেনে নিতে
পারেন। কেননা বর্তমান সময়ে অনেকেই শরীরের অতিরিক্ত ওজন নিয়ে অনেক বেশি চিন্তায়
থাকে। আর তাই আপনিও এই সম্পর্কে জানতে পারেন।
১৫ দিনে ১০ কেজি ওজন কমানোর উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে নিচের
দেওয়া লেখাগুলো খুব যত্ন সহকারে পড়ার চেষ্টা করতে হবে। তাহলেই মূলত
আপনারা শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমানোর যাবতীয় উপায় জানতে পারবেন।
সূচিপত্রঃ শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমানোর যাবতীয় উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন
১৫ দিনে ১০ কেজি ওজন কমানোর উপায়
১৫ দিনে ১০ কেজি ওজন কমানোর উপায় সম্পর্কে আপনারা জানতে চেয়েছেন। আজকের এই
পর্বে আমরা ১৫ দিনের ভেতর কিভাবে আপনি ১০ কেজি ওজন কমিয়ে ফেলতে পারেন সেই
সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করবো। আপনি ১৫ দিনে ১০ কেজি ওজন কমানোর
কথা বাদ দিয়ে ধীরে ধীরে আপনার ওজন কমানোর চেষ্টা করুন।
কেননা দ্রুত ওজন কমানো কখনোই শরীরের জন্য উপকারী নয় বরং এটি শরীরের জন্য খুবই
ক্ষতিকর। দ্রুত ওজন কমানোর ফলে বেশ কিছু সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এর মধ্যে
উল্লেখযোগ্য সমস্যাগুলো হলো পানি শূন্যতা দেখা দেয়, পেশির ক্ষয় হয় এবং সেই
সাথে বিপাকীয় সমস্যা তৈরি হয়ে থাকে। আর এজন্যই স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে ওজন
কমানোর চেষ্টা করতে হবে।
স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে ওজন কমাতে চাইলে খাবার-দাবার নিয়ন্ত্রণ করে চলতে হবে,
শারীরিক পরিশ্রম করতে হবে, দৈনন্দিন এর জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনতে হবে। এছাড়াও
কম কার্বোহাইড্রেট ও বেসি প্রোটিনযুক্ত খাবারগুলো গ্রহণ করতে হবে। যে সকল
খাবারগুলো প্রক্রিয়াজাত এবং চিনিযুক্ত সেগুলো এড়িয়ে চলার চেষ্টা করতে হবে।
আরো পড়ুনঃ মুলতানি মাটি চেনার ৩টি কার্যকরী উপায় সম্পর্কে জেনে নিন
তাছাড়াও স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে চাইলে প্রতিদিন পর্যাপ্ত
পরিমাণ পানি পান করতে হবে এবং সেই সাথে ৩০ মিনিট হাঁটাচলা কিংবা হালকা ব্যায়াম
করতে হবে। তাছাড়াও পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করতে হবে। তাহলেই স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে
ওজন নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। আমরা নিচের আলোচনায় স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে কিভাবে ওজন
কমানো যায় সেগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করবো। চলুন জেনে নেয়া
যাক।
স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে ওজন কমানোর উপায়
স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে ওজন কমানোর উপায় সম্পর্কে আপনাদের জেনে নেওয়া উচিত।
বর্তমান সময়ে অনেকেই শরীরের অতিরিক্ত ওজন নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে। আর চিন্তার
কোন কারণ নেই। নিয়মিত নিয়ম মেনে নিজের জীবন যাপন পরিচালনা করতে পারলেই
স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে ওজন কমানো যাবে। নিচের আলোচনায় স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে
ওজন কমানোর উপায় আলোচনা করা হলোঃ
সুষম খাদ্যাভ্যাস মেনে চলুনঃ
শরীরের অতিরিক্ত ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে
চাইলে প্রথমেই যে ধাপটি মেনে চলতে হবে সেটি হলো সুষম খাদ্যাভ্যাস মেনে চলা।
আপনার খাদ্য তালিকায় পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন, শাকসবজি, ফলমূল এবং আরো অন্যান্য
পুষ্টিকর খাবার যুক্ত করবেন। মূলত প্রোটিন ওজন কমানোর ক্ষেত্রে দারুন কাজ করে
থাকে। কারণ এটি আপনার ক্ষুধা কমাবে এবং দীর্ঘ সময় আপনার পেট ভরা রাখবে। বিশেষ
করে প্রোটিনের উৎস হতে পারে মুরগির মাংস, ডিম, মাছ, ডাল, ছোলা ইত্যাদি।
পানি পান করুনঃ
আপনি যদি আপনার শরীরের ওজন কমাতে চান, তাহলে
পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করার চেষ্টা করবেন। পানি শরীরের বিষাক্ত পদার্থ বের
করে দেয় এবং মেটাবলিজন বৃদ্ধি করে থাকে। এজন্য নিয়মিত ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান
করার চেষ্টা করবেন। খাবার খাওয়ার ৩০ মিনিট আগে পানি পান করলে ক্ষুদা কমে যায়
এবং অতিরিক্ত খাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।
মননশীল আহার গ্রহন করাঃ
বেশি খাবার খাওয়ার অভ্যাস দূর করার জন্য
ছোট প্লেট এবং বাটি ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন। আপনি যে খাবার খাবেন সে খাবারটির
কামড়ের স্বাদ নিন এবং পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে চিবিয়ে খাওয়ার চেষ্টা করবেন। এছাড়াও
আপনার যখন ক্ষুধা লাগবে তখন খাবেন। আর যখন আপনার শরীর বলবে যথেষ্ট খাবার হয়ে
গেছে তখন খাওয়া বন্ধ করে দিবেন।
নিজেকে হাইড্রেট রাখুনঃ
সারাদিন প্রচুর পরিমাণে পানি, চা পান করুন।
এছাড়াও বাড়তি স্বাদের জন্য তাজা ফল, শশা, লেবুর টুকরো দিয়ে শরবত তৈরি করে খান।
এছাড়াও চিনিযুক্ত চা পান করার বদলে চিনি ছাড়া চা যেমন তুলসী পাতার চা, গ্রিন টি
পান করার চেষ্টা করুন। এই পানিগুলো শরীরকে হাইড্রেট রাখতে সহায়তা করে থাকে।
এছাড়াও এতে থাকা ভেষজ উপাদান শরীরকে পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করে থাকে।
নিয়মিত ঘুমঃ
সুস্থ শরীরের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম অপরিহার্য।
আপনাকে নিয়মিত ৭থেকে ৮ ঘন্টা ঘুম নিশ্চিত করতে হবে। কারণ আপনি যদি পর্যাপ্ত
পরিমাণে ঘুম না নিশ্চিত করেন তাহলে ঘুমের অভাব মেটাবলিজম কমিয়ে দেয় এবং ক্ষুধা
বৃদ্ধির হরমোন বাড়িয়ে দেয়। যা বেশি খাওয়ার ক্ষমতা তৈরি করতে পারে। যা আপনার
শরীরের ওজন কমার বদলে বেড়ে যাবে। তাই পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন।
পুষ্টি ও ঘন খাবারের প্রতি অগ্রাধিকার দেওয়াঃ
আপনাদের দৈনন্দিন
খাদ্য তালিকায় বিভিন্ন রঙিন শাকসবজি এবং ফলমূল রাখুন। চর্বিহীন প্রোটিন গ্রহণ
করার চেষ্টা করুন। যেমন মাছ-মাংস, লেবু ইত্যাদি। এছাড়াও পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট
এর চেয়ে গোটা শস্যকে অগ্রাধিকার দিন। কারণ গোটা শস্যে ফাইবার এবং অন্যান্য
নানা পুষ্টি উপাদান থাকে। যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে এবং শরীরকে
সুস্থ রাখতে সহায়তা করে থাকে।
চিনিযুক্ত খাবার ও পানীয় পরিহার করুনঃ
আপনাকে অবশ্যই চিনিযুক্ত
খাবার ও পানীয় পরিহার করতে হবে। কেননা ওজন বাড়ানোর প্রধান কারণ গুলোর মধ্যে
এগুলো অন্যতম। কোমল পানীয়, মিষ্টি ক্যান্ডি ইত্যাদি যতটা সম্ভব পরিহার করে চলতে
হবে। এগুলোর উচ্চ ক্যালোরি শরীরের অতিরিক্ত চর্বি জমার জমার পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে
পারে। তাই এগুলো পরিহার করার চেষ্টা করবেন।
শরীরে ক্যালরি নিয়ন্ত্রণঃ
ক্যালোরি খরচ এবং গ্রহণের ভারসাম্য বজায়
রাখতে হবে। প্রতিদিন যতটা সম্ভব কম ক্যালরি গ্রহণ করার চেষ্টা করতে হবে। মূলত ওজন
নিয়ন্ত্রণের মূল মন্ত্রই হলো ক্যালরি খরচ করা এবং ক্যালোরি গ্রহণের মধ্যে
ভারসাম্য বজায় রাখা। আপনি নিয়মিত যে পরিমাণ ক্যালরি গ্রহণ করবেন তার থেকে বেশি
পরিমাণ ক্যালরি খরচ করতে হবে। তবে ডায়েট অনেক কম করলে বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য
সমস্যা তৈরি হতে পারে। তাই এই দিকটা ঠিক রেখে ডায়েট চার্ট তৈরি করতে হবে।
ব্যায়াম করুনঃ
নিয়মিত স্ট্রেচ এবং ব্যায়ামে আগ্রহী হন। এমন
ব্যায়াম করার চেষ্টা করুন যেটার প্রতি আপনার ভাললাগা কাজ করে এবং উপভোগ করতে
পারেন। এছাড়াও চর্বিহীন পেশী ভর তৈরি করতে শক্তি প্রশিক্ষণ শুরু করতে পারেন।
তাছাড়াও প্রত্যেক সপ্তাহে ১৫০ মিনিট মাঝারি তীব্রতার ব্যায়াম করতে পারেন। যা
ওজন কমাতে সহায়তা করে।
হোল গ্রেইন খাবার খানঃ
শরীরের ওজন কমানোর জন্য হোল গ্রেইন খাবার
খাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ খাবার গুলোর মধ্যে রয়েছে ব্রাউন রাইস,
ওটামিল এবং সম্পূর্ণ গমের রুটি। এই খাবারগুলোতে ফাইবার থাকে। যার কারণে এই
খাবারগুলো খেলে হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায় এবং সেই সাথে পেট দীর্ঘ সময় ধরে
ভরা থাকে। যা ওজন কমানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।
অল্প খাবার খান কিন্তু বারবার খানঃ
ওজন কমানোর ক্ষেত্রে বড় খাবার
খাওয়ার চেয়ে অল্প খাবার খাওয়া অনেক বেশি উপকারী। প্রতিদিন ৫-৬ বেলা খাবার
খাওয়ার চেষ্টা করুন। এমন খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন যাতে তাতে প্রোটিন এবং
ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার থাকে। এতে করে এই খাবারগুলো আপনার মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে
থাকবে এবং ক্ষুধার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে আনবে।
স্ট্রেস লেভেল পরিচালনা করুনঃ
গভীর শ্বাস নেওয়া এবং ধ্যানের মতো
অভ্যেস গড়ে তুলুন। এমন সকল কার্যক্রম গুলোতে জড়িয়ে পড়ুন যেগুলো করার প্রতি
আপনার ভালোলাগা কাজ করে। এছাড়াও সর্বোত্তম শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতার জন্য
মানসম্পন্ন ঘুমকে বেছে নেওয়ার চেষ্টা করুন। এ সকল কাজগুলো আপনার অতিরিক্ত ওজন
কমাতে সহায়তা করবে।
সবুজ চা পান করুনঃ
সবুজ চায়ে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। যা মূলত
মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে থাকে। এবং ফ্যাটকে পোড়াতে সহায়তা করে থাকে। তাই প্রতিদিন
দুই থেকে তিন কাপ সবুজ চা পান করার চেষ্টা করবেন। এটি আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণের
ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
পর্যাপ্ত শাকসবজি ও ফলমূল খানঃ
ওজন কমানোর ক্ষেত্রে শাকসবজি ও ফলমূল
বেশ কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এগুলোতে ফাইবার এবং ভিটামিন এ, ভিটামিন সি এবং কে
থাকে। যা শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় এবং ওজন কমানোর ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে
থাকে। শাকসবজি ও ফলমূল খেলে পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকে। সেই সাথে এটি অতিরিক্ত
ক্যালরি গ্রহণের প্রবণতা কমিয়ে থাকে। যা ওজন কমানোর ক্ষেত্রে অনেক বেশি
গুরুত্বপূর্ণ।
সামনের পরিকল্পনাঃ
স্বাস্থ্যকর খাবার এবং স্ন্যাকস জাতীয় খাবার আগে
থেকেই প্রস্তুত করে রাখুন। খাবারের প্রতি যাতে খুব বেশি লোভ না লেগে যায় এজন্য
আগে থেকেই পুষ্টিকর দুপুরের খাবার প্যাক তৈরি করে ফেলুন। এছাড়াও আপনার খাদ্য
তালিকায় মটরশুটি, ডাল, বাদাম, অলিভ অয়েল, তাজা ফল, সবজি রাখার চেষ্টা করুন। এই
খাবারগুলো দীর্ঘস্থায়ী পুষ্টি জোগাতে সহায়তা করে থাকে।
প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খানঃ
মূলত প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার ওজন কমানোর
ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এটি ক্ষুধা কমিয়ে থাকে এবং দীর্ঘসময় পেট
ভরা রাখে। প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার গুলোর মধ্যে রয়েছে ডিম, মুরগি, মাছ এবং ডাল। যা
প্রোটিনের দুর্দান্ত উৎস।
ফ্রিজ পরিষ্কার রাখুনঃ
ওজন কমানোর সাথে ফ্রিজের একটা গভীর সম্পর্ক
রয়েছে। কেননা আমরা ক্যালোরিযুক্ত যত খাবার রয়েছে সবগুলো খাবার ফ্রিজে রাখি। তাই
আজ থেকে ফ্রিজ বা রান্না ঘরে যেসব উচ্চমাত্রার ক্যালোরি সমৃদ্ধ খাবার রয়েছে বা
ফাস্টফুড রয়েছে সেগুলো সরিয়ে ফেলবেন। এর বদলে আপনারা স্বাস্থ্যকর খাবার ফ্রিজে
রাখবেন। যেমন ফলমূল, শাকসবজি ইত্যাদি। স্বাস্থ্যকর খাবার সামনে থাকলে সে সকল
খাবার গুলো খাওয়ার প্রতি আগ্রহ এমনিতেই অটোমেটিক বৃদ্ধি পেয়ে যাবে।
ফাইবার সমৃদ্ধ খাবারঃ
ফল, শাকসবজি এবং পুরো শষ্যের মতো উচ্চ
ফাইবারযুক্ত খাবার গুলো আপনাদের খাদ্য তালিকায় যুক্ত রাখবেন। ফাইবার যুক্ত খাবার
গুলো সহজেই হজমে সহায়তা করে। যা ওজন কমানোর জন্য দারুন কার্যকরী।
খাবার বাদ দিবেন নাঃ
একটা কথা মনে রাখবেন না খেয়ে কিন্তু ওজন কমানো
সম্ভব নয়। তাই কোন বেলায় খাবারকে বাদ দেওয়া যাবে না। দিনে অন্তত ছয়বার খান,
তিনবেলা বড় খাবার এবং তিনবেলা ছোট খাবার। কিন্তু খেতে হবে। আর এভাবে আপনারা
খাবারকে ভাগ করে খেতে পারেন। একেবারে খুব বেশি না খেয়ে অল্প পরিমাণে অল্প অল্প
করে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
হাঁটুনঃ
ওজন কমাতে চাইলে হাঁটার কোন বিকল্প নেই। আর হাঁটা তো কেবল
ওজন কমাবে না বরং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাবে, বিষ্ণুতা বা মন খারাপ ভাব দূর করবে। তাই
ওজন কমানোর জন্য হাঁটার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
একটু কম খানঃ
ওজন নিয়ন্ত্রণ করার জন্য একটু কম খাওয়ার চেষ্টা
করুন। আগে যেখানে আপনি তিনটি রুটি খেতেন। এখন সেখানে আপনি একটি রুটি খান। এছাড়াও
আপনি যেখানে আগে এক থালা ভাত খেতেন, সেখানে এক কাপ পরিমাণ ভাত খান। আপনি আপনার
বাকি পেট ভরা রাখুন সবজি আর ফলমূল খাওয়ার বদলে। এভাবে ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে
হবে।
দায়বদ্ধ রাখুনঃ
একটি ফুড জার্নাল বা ফিটনেস অ্যাপ এর মাধ্যমে আপনার
অগ্রগতি ট্র্যাক করতে থাকুন। সহায়ক বন্ধু বা পরিবারের সদস্যদের সাথে আপনার
যাবতীয় উদ্দেশ্য গুলো শেয়ার করতে ভুলবেন না। ছোট ছোট জয় উদযাপন করার মাধ্যমে
আনন্দ নিতে থাকুন।
প্রতিদিন ১ কেজি ওজন কমানোর উপায়
প্রতিদিন ১ কেজি ওজন কমানোর উপায় সম্পর্কে আপনারা চাইলে জেনে নিতে পারেন।
নির্দিষ্ট কিছু কাজের মাধ্যমে প্রতিদিন ১ কেজি ওজন কমানো যেতে পারে। আজকের
পর্বে এই সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করবো। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া
যাক। প্রতিদিন ১ কেজি ওজন কমানোর উপায় নিচে দেওয়া হলোঃ
- প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে পানি পান করার চেষ্টা করতে হবে।
- প্রতিদিন কমপক্ষে ৭ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুমানোর চেষ্টা করতে হবে।
- মানসিক চাপমুক্ত থাকার চেষ্টা করতে হবে।
- পানি জাতীয় বিভিন্ন ধরনের ফল খেতে হবে যেমন শসা, লাউ ইত্যাদি।
- প্রতিদিন দুই বেলা গ্রিন টি পান করতে হবে।
- প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি রাখতে হবে।
- প্রতিদিন বিভিন্ন ধরনের ফলমূল খেতে হবে।
- সাইকেল চালানো, ব্যায়াম করা এবং খেলাধুলার মাধ্যমে শরীর থেকে ঘাম ঝরাতে হবে।
৩০ দিনে ৫ কেজি ওজন কমানোর উপায়
৩০ দিনে ৫ কেজি ওজন কমানোর উপায় সম্পর্কে আপনারা জেনে নিতে পারেন। দ্রুত ওজন
কমানোর চেয়ে ধীরে ধীরে ওজন কমানোই সবচাইতে ভালো উপায়। তাই আজকের এই পর্বে
আমরা এক মাসে আপনি কিভাবে পাঁচ কেজি ওজন কমাতে পারেন তার উপায় সম্পর্কে
বিস্তারিত জানিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবো। চলুন তাহলে তা জেনে নেওয়া যাক।
শরীরের ওজন বাড়তে থাকলে দুশ্চিন্তাও বাড়তে থাকে। শরীরকে সুস্থ রাখতে হলে
যতটুকু শরীরের ওজন হলে ভালো হয় সেটি রাখার চেষ্টা করতে হবে। কারণ বাড়তি ওজন
হলে বাড়তি অসুখ বিসুখের আশঙ্কা তৈরি হয়। আর এর কারণেই খেতে গেলেও, বসতে
গেলেও, ঘুমাতে গেলেও ওজন নিয়ে দুশ্চিন্তা হয়। তাই অনেকেই নিজের ইচ্ছামত ওজন
কমানোর চেষ্টা করে। এটি ভালো কথা নয়।
আরো পড়ুনঃ পঞ্চভূত পাউডার খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে অবাক করা তথ্য জানুন
কারণ ওজন কমাতে হবে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে। এজন্য আপনি এক মাসে পাঁচ কেজি ওজন
কমাতে পারেন। তবে এটি করার জন্য আপনাকে প্রথমে মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে হবে।
আসুন আমরা দেখে নেই এক মাসে ৫ কেজি ওজন করার জন্য কি কি উপায়ে অবলম্বন করতে
হবে তার তালিকা গুলোঃ
- দুপুরের খাবার আপনাকে ১২ থেকে ১.৩০ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে খেয়ে নিতে হবে। খাওয়ার আধা ঘন্টা আগে দুই গ্লাস পানি খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে।
- খাবার খেতে হবে চিবিয়ে চিবিয়ে। দ্রুত খাওয়া এড়িয়ে চলতে হবে। অন্তত ২০ মিনিট ধরে খাবার খেতে হবে।
- প্রতিদিন আঙ্গুর ও আনারসের রস খাওয়ার চেষ্টা করবেন।
- সকালে খালি পেটে এবং বিকেলে চিনি ছাড়া গ্রিন টি খাওয়ার চেষ্টা করবেন।
- প্রতিদিন ৮ ঘন্টা ঘুমানোর চেষ্টা করবেন।
- যে সকল খাবারগুলো আঁশযুক্ত সেই সকল খাবারগুলো খাওয়ার চেষ্টা করবেন।
- শর্করা যুক্ত খাবারগুলো না খেয়ে প্রোটিন যুক্ত খাবার গুলো খাবেন।
- দৈনিক ৩০ মিনিট হাঁটাচলার অভ্যাস গড়ে তুলবেন।
যে সকল খাবারগুলো এড়িয়ে চলবেন
বার্গার, চিপস, আইসক্রিম, ফাস্টফুড, চকলেট, ভাত, সাদা আটা-ময়দা, সোডা, কেক,
ডোনাট , চিনি, চিনিযুক্ত কোন ড্রিংক, অস্বাস্থ্যকর তেল, চর্বি ইত্যাদি। এছাড়াও
আপনারা উপরের আলোচনা থেকে ১৫ দিনে ১০ কেজি ওজন কমানোর উপায় সম্পর্কে
বিস্তারিত জেনে আসতে পারেন।
১৫ দিন শসা খেয়ে ৭ কেজি ওজন কমানোর উপায়
১৫ দিন শসা খেয়ে ৭ কেজি ওজন কমানোর উপায় সম্পর্কে আপনারা জেনে নিতে পারেন।
বর্তমান সময়ে যে কাজগুলোর মাধ্যমে শরীরের ওজন কমে থাকে শসা খাওয়া সেগুলোর
মধ্যে অন্যতম। অর্থাৎ আপনি খাদ্য তালিকায় শসা যুক্ত করার মাধ্যমেও আপনার
শরীরের ওজন কমাতে পারেন। আজকের এই পর্বে আমরা ১৫ দিন ধরে শসা খাওয়ার ফলে ৭
কেজি ওজন কমানোর উপায় জেনে নিবো।
চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক। ওজন কমানোর ক্ষেত্রে শসা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি
সবজি। এতে বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো
ভিটামিন এ, ভিটামিন বি, ভিটামিন কে, ফোলেট ইত্যাদি। শসায় ক্যালরির
পরিমাণ খুবই কম রয়েছে। যার কারণে এই সবজিটি খেলে সহজেই ওজন কমে থাকে। তাই
যারা শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাতে চান।
তারা নিয়মিত শসা খেতে পারেন। এই সবজিটি খাওয়ার ফলে হজমের সমস্যা দূর হয়ে
যায়। আপনি ১৫ দিন শসা খাওয়ার ফলে শরীরের ওজন কমাতে পারবেন। এজন্য আপনার শসা
খাওয়ার পাশাপাশি প্রোটিন যুক্ত খাবার খেতে হবে। প্রোটিনযুক্ত খাবার
গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো মাছ, মাংস, ডাল, পনির, চিকেন ইত্যাদি। শসা খাওয়ার
ফলে এতে থাকা হাই ফাইবার আপনার পেটকে ভরা রাখবে। যার কারণে আপনি সহজেই অন্য
যে কোন খাবার খাওয়ার প্রতি আগ্রহী হবেন না।
আরো পড়ুনঃ টুনা মাছ চেনার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন
আর এভাবে ১৫ দিন চলতে থাকলে অবশ্যই আপনার ওজন কমতে বাধ্য। তবে যারা গর্ভবতী নারী রয়েছেন বা বাচ্চাকে দুধ খাওয়াচ্ছেন অথবা যাদের পেশার রয়েছে তারা টানা ১৫ দিন শসা খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলার আগে সতর্ক হন। কারণ তাদের জন্য এটি ক্ষতিকর হতে পারে। এছাড়াও আপনারা উপরের আলোচনা থেকে ১৫ দিনে ১০ কেজি ওজন কমানোর উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে আসতে পারেন।
ওজন কমাতে এই ডায়েট চার্ট মেনে চলুন
আপনি যদি আপনার শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাতে চান তাহলে নির্দিষ্ট একটি ডায়েট চার্ট
মেনে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তবে এই ক্ষেত্রে ডায়েট করতে হবে
নিয়মকানুন মেনে। কোন পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী। নয়তো আপনি কাঙ্খিত ফলাফল
পাবেন না।
ডায়েট করার জন্য প্রথমেই আপনাকে মনে রাখতে হবে ডায়েট করা মানে না খেয়ে
থাকা নয়। ডায়েট মানে হলো পরিমিত পরিমাণে সুষম খাবার গ্রহণ করা। তাহলে চলুন
আজকে আমরা একজন পুষ্টিবিদদের পরামর্শ অনুযায়ী ডায়েট চার্ট কেমন হওয়া উচিত
সেই সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়ার চেষ্টা করি। একজন বিখ্যাত পুষ্টিবিদের
পরামর্শ অনুযায়ী নিচের ডায়েট চার্টটি তৈরি করে দেয়া হলোঃ
সকালের ডায়েট চার্টঃ সকাল বেলায় আপনি দুধ ছাড়া চা বা কফি
খেতে পারেন, দুটো আটার রুটি খেতে পারেন, এক বাটি সবজি সিদ্ধ করে খেতে পারেন।
এছাড়াও এক বাটি কাঁচা শসা খেতে পারেন। কেননা শসা ওজন কমাতে জাদুর মতো কাজ
করে থাকে।
মধ্যদুপুরের ডায়েট চার্টঃ এই সময় আপনি একটি ডিমের সাদা অংশ ও টক
জাতীয় ফল খেতে পারেন।
দুপুরের ডায়েট চার্টঃ এই সময় আপনি ৫০ থেকে ৭০ গ্রাম চালের ভাত
খেতে পারেন। এর সাথে আপনি মাছ বা মুরগির ঝোল এক বাটি খেতে পারেন। তাছাড়াও এক
বাটি সবজি ও শাক, শসার সালাদ এক বাটি ডাল এবং ২৫০ গ্রাম টক দই খেতে
পারেন।
বিকেলের ডায়েট চার্টঃ এই সময় আপনি দুধ ছাড়া চা বা কফি খেতে
পারেন। এছাড়াও আপনি এক বাটি মুড়ি বা দুইটি বিস্কুট খেতে পারেন।
রাতের ডায়েট চার্টঃ রাতে আপনি আটার রুটি দুইটি, এক বাটি সবুজ
তরকারি, এক বাটি ডাল, টক দই দিয়ে এক বাটি সালাদ গ্রহণ করতে পারেন।
ওজন কমানোর ডায়েট করার সময় চিনিযুক্ত খাবার, বেশি তেলে ভাজা পোড়া খাবার,
মিষ্টি জাতীয় পানীয়, ট্রান্স ফ্যাট যুক্ত খাবার, প্রাণিজ ফ্যাট, রিফাইন্ড করা
বা চকচকে সাদা ময়দার তৈরি খাবার, মিষ্টি জাতীয় শুকনা ফল এবং প্রক্রিয়াজাত করা
স্নাক ফুড, স্টার্চ যুক্ত সবজি যেমন আলু, ভুট্টা, মিষ্টি আলু কখনোই খাবেন না।
আপনাদের সাধারণত এ সকল খাবার গুলো ওজন কমানোর সময় এড়িয়ে চলতে হবে। আপনারা
এই সময় যে সকল খাবার গুলো খেতে পারেন সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো আঁশ বহুল
খাবার যেমন সেটি হতে পারে ডাল, শাকসবজি, ঢেঁকি ছাঁটা চট, গমের আটার রুটি, টক
ফল এগুলো বেশি করে খেতে হবে। এছাড়াও বেশি বেশি পাতাকপি, ফুলকপি, সিম জাতীয়
সবজি, টমেটো, গাজর, পাতাযুক্ত শাক, মসুর ডাল, বাদাম এগুলো খেতে হবে।
আরো পড়ুনঃ লাইটের পোকা তাড়ানোর ৮টি উপায় সম্পর্কে জেনে নিন
এ সকল খাবার গুলো খাওয়ার পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করতে হবে। সেই সাথে
দৈনিক ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট হাঁটাহাঁটি বা ব্যায়াম করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
তাছাড়াও সকালে ঘুম থেকে উঠে ব্রাশ করার পর কমপক্ষে দুই গ্লাস পানি পান করতে হবে।
সেই সাথে সারাদিনে বেশি বেশি পানি পান করার চেষ্টা করতে হবে। তাহলেই আপনার শরীরের
অতিরিক্ত ওজন কমাতে পারবেন। এছাড়াও আপনারা উপরের আলোচনা থেকে ১৫ দিনে ১০
কেজি ওজন কমানোর উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে আসতে পারেন।
ওজন কমানোর সুবিধা গুলি
শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমানোর ফলে আপনি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা পাবেন। নিচের
আলোচনায় এগুলো বিস্তারিত তুলে ধরা হলো। শরীরে যদি অতিরিক্ত ওজন থাকে, তাহলে নানা
ধরনের অসুখ-বিসুখের আশঙ্কা তৈরি হয়। তাই আপনি যদি শরীরের অতিরিক্ত ওজন
নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। তাহলে নিচের সম্ভাব্য সুবিধা গুলো পেতে পারেন।
হৃদরোগের ঝুঁকি কমবেঃ শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাতে পারলে উচ্চ
রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল, টাইপ টু ডায়াবেটিসের মতো সমস্যা থেকে দূরে থাকতে
পারবেন। যা মূলত হৃদরোগে ঝুঁকি বাড়িয়ে থাকে। তাই ওজন কমাতে পারলে এ ধরনের
সমস্যা থেকে রক্ষা পাবেন।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ থাকবেঃ ওজন কমাতে পারলে টাইপ টু ডায়াবেটিস
থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। কেননা শরীরের ওজন কমানোর ফলে ইনসুলিনের কার্যকারিতা
বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। যা রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতিঃ ওজন কমাতে পারলে মানসিক স্বাস্থ্যের
উন্নতি হয়ে থাকে। এছাড়াও অতিরিক্ত ওজন কমাতে পারলে আত্মবিশ্বাস বাড়ে এবং
মানসিক চাপ কমে থাকে। ওজন কমানোর মাধ্যমে নিজেকে ভালোভাবে দেখানো এবং অনুভব করার
সুযোগ পাওয়া যায়।
শক্তি ও সক্রিয়তা বৃদ্ধিঃ ওজন কমানোর ফলে শরীরের শক্তি এবং
সক্রিয়তা বৃদ্ধি পায়। অতিরিক্ত ওজন কমলে শরীর হালকা হয় এবং কাজ করার ক্ষমতা
বহু গুণে বৃদ্ধি পেয়ে থাকে।
হাড় ও জয়েন্টের সুরক্ষাঃ শরীরের অতিরিক্ত ওজনের ফলে হাড় ও
জয়েন্টের উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে থাকে। যা মূলত আর্থ্রাইটিস এবং অন্যান্য
জয়েন্টের সমস্যার কারণ হতে পারে। তাই ওজন কমাতে পারলে এই চাপ কমে এবং হাড় ও
জয়েন্ট সুস্থ থাকে। এছাড়াও আপনারা উপরের আলোচনা থেকে ১৫ দিনে ১০ কেজি ওজন
কমানোর উপায় এবং স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে ওজন কমানোর উপায় সম্পর্কেও
বিস্তারিত জেনে আসতে পারেন।
লেখকের শেষ কথা
উপরের আলোচনা থেকে আমরা ১৫ দিনে ১০ কেজি ওজন কমানোর উপায় সম্পর্কে
বিস্তারিত জেনে এসেছি। আমরা আরও জানতে সক্ষম হয়েছি স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে ওজন
কমানোর উপায় সম্পর্কেও। আমাদের মধ্যে এমন অনেকেই আছে যারা শরীরের অতিরিক্ত ওজন
নিয়ে অনেক বেশি চিন্তায় থাকে। তারা চাইলে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে শরীরের ওজন
কমাতে পারে।
শরীর ওজন কমানোর জন্য দুই দিন বা তিন দিন বা ১০ দিন যথেষ্ট নয়। একটি নির্দিষ্ট
সময় ধরে নিয়মিত নিয়ম মেনে কাজ করতে পারলে একটা সময় পর শরীরের ওজন ধীরে ধীরে
কমে আসবে। আমি উপরের আলোচনায় স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে শরীরের ওজন কিভাবে কমানো
যায় সেই সাথে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে শরীরের ওজন কমানোর জন্য ডায়েট চার্ট সহ আরো
নানা বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। আশা করছি আপনারা যদি উপরের
আলোচনাটি ভালোভাবে পড়তে পারেন, তাহলে শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমানোর নিঞ্জা টেকনিক
জেনে যেতে পারবেন। আশা করছি উপরের আলোচনাটি পড়ার মাধ্যমে আপনারা উপকৃত হতে
পারবেন।
রিটেক্স আইটি নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url